আমলকি খাওয়ার গুণাগুণ
হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে: উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা হৃদরোগের ঝুঁকিকে অনেক বৃদ্ধি করে দেয়। আমলকি খেলে তা খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে ধমনীর ব্লক খুলে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকি খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে।
রক্তের সুগার কমাতে: ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।
হাড় মজবুত করতে: আমলকিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে। যা হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
ওজন কমাতে: আপনার ওজন কমাতে চাইলে আমলকির সাহায্য নিন। আমলকির ফাইবার শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। এদিকে মুখের আলসার বা দাঁতের ক্ষত সারাতেও জুড়ি নেই আমলকির।
দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে: আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্নে: প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
খাওয়ার রুচি বাড়াতে: আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।
বমি বন্ধে: বারবার বমি হলে এক কাপ পানিতে শুকনো আমলকি ভিজিয়ে ঘণ্টা দুই রেখে দিন। এরপর সেই পানিতে একটু চন্দন ও চিনি মিশিয়ে খান। তাহলে দেখবেন ম্যাজিকের মতো বমি বন্ধ হয়ে গেছে।
চুলের যত্নে: আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

Post a Comment